Skip to content Skip to footer

আসকের পরিচালক শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন,এ দৃশ্য সত্যিই মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন শীতপ্রবণ অঞ্চলে অসহায় ও দুস্থ মানুষেরা চরম ঠান্ডার কবলে পড়ে নিদারুণ কষ্ট পাচ্ছেন। তাদের কথা মাথায় রেখে আসক ঢাকা বিভাগ সংগঠনের পরিচালক নিজ উদ্যোগে এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় শীতবস্ত্র সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন।কম্বল, মোটা কাপড়, জ্যাকেট এবং শিশুদের জন্য গরম পোশাক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে পথশিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও দিনমজুরদের হাতে। পরিচালক নিজে উপস্থিত থেকে প্রতিটি মানুষকে পোশাক পরিয়ে দিচ্ছেন এবং তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। তিনি বলেন,শীত এলে সবার ঘড়ে গরম কাপড় থাকে না, আমাদের সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শারীরিক আরাম দেয় না,বরং সমাজে সহমর্মিতা ও সংহতির বন্ধন মজবুত করে।শীতার্তদের চোখে যখন স্বস্তির ছোঁয়া দেখা যায়,তখন বুঝা যায় এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কত বড় অর্থ বহন করে।আসকের পরিচালক আশা প্রকাশ করেন,আরও মানুষ এগিয়ে এলে কোনো শীতার্তই অসহায় থাকবে না।

আসকের পরিচালকের শীতবস্ত্র বিতরণ উদ্যোগ

তীব্র শীতে যখন অসহায় মানুষের জীবনযাত্রা স্তব্ধ হয়ে যায়,তখন আসক ঢাকা বিভাগ সংগঠনের পরিচালক নিজ উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে দ্রুত ত্রাণ তৎপরতা শুরু করেন। প্রথমে তিনি পৌর এলাকার পথশিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও দিনমজুরদের তালিকা তৈরি করেন এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কম্বল, মোটা জ্যাকেট, সুইটার ও শিশুদের জন্য গরম পোশাক সংগ্রহ করেন। সংগ্রহে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থারা সহযোগিতা করে। পরিচালক নিজে প্রতিটি বিতরণকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে শীতার্তদের হাতে পোশাক তুলে দেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তিনি শুধু বস্ত্র দেন না, বরং আশ্রয় ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয় বিষয়েও তাদের পরামর্শ দেন। শীতার্ত মানুষের চোখের কৃতজ্ঞতা তাকে আরও উদ্বুদ্ধ করে। পরিচালক বলেন, ‘শীত এলেই শুধু দুর্বলেরা কষ্ট পায়, আমাদের কর্তব্য পাশে দাঁড়ানো।তাঁর এই উদ্যোগে আশপাশের আরও অনেকে এগিয়ে এসেছেন।এই শীতবস্ত্র বিতরণ প্রকল্প সত্যিই অসহায়দের জন্য সান্ত্বনার নাম। সমাজের বিত্তবানদের যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তাহলে শীত আর কারও জন্য অভিশাপ হয়ে থাকবে না।