Skip to content Skip to sidebar Skip to footer

শিশুশ্রম বন্ধে বিশ্বব্যাপী প্রচারাভিযান দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সংস্থা, সরকার ও সুশীল সমাজের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম নির্মূল কর্মসূচি (আইপিইসি) ১৯৯২ সাল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারিগরি সহায়তা প্রকল্প হিসেবে কাজ করছে। এটি আইন প্রণয়ন, ডাটা সংগ্রহ ও পুনর্বাসনে সহায়তা করে।

১৯৯৮ সালে গঠিত গ্লোবাল মার্চ অ্যাগেইনস্ট চাইল্ড লেবার একটি জনভিত্তিক আন্দোলন, যা শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি ও শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখছে। প্রতি বছর ১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়—এ দিনে বিশ্বব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি, গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৮.৭ নং লক্ষ্য ২০২৫ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম নির্মূলের আহ্বান জানিয়েছে। ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেন, ব্র্যাক, টিয়ারফান্ডের মতো সংস্থা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু চিহ্নিত করে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিবারের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই সমাধান দিচ্ছে।

গত দুই দশকে দক্ষিণ এশিয়ায় শিশুশ্রমের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, তবে কোভিড-১৯ মহামারি ও অর্থনৈতিক সংকট অগ্রগতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সফলতার জন্য প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ, প্রাথমিক শিক্ষার নিশ্চয়তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও গণসচেতনতা। শিশুশ্রমমুক্ত বিশ্ব গড়তে আন্তর্জাতিক সংহতি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও স্থানীয় কমিউনিটির সম্পৃক্ততা এখন আগের চেয়েও জরুরি। প্রতিটি শিশুর হাতে কলম তুলে দিতে পারলেই আমরা একটি ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়তে পারব|

Sed congue molestie nibh vitae dictum. Interdum et malesuada fames ac ante ipsum primis in faucibus. Fusce velit dolor, fermentum a dui nec, auctor vulputate diam. Nam venenatis at justo tristique cursus. Maecenas lacinia nisi ut ultricies facilisis.

Piter Bowman

U

Leave a comment